1. info@dailysamajerbani.com : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/
  2. : lf_ptDGZ3U7kkvl :
  3. info@www.dailysamajerbani.com : দৈনিক সমাজের বাণী :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পদ্মা ব্যারাজে বদলে যাবে ২৪ জেলার ভাগ্য: স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রী এ্যানি সালথায় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১৫ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর রোগমুক্তি কামনায় ছোনগাছায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জয়ঝাপ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিদায় ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত স্বৈরাচারী সরকার পতনে বিএনপি মাঠে নেমে কাজ করেছে -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ  সালথায় উপজেলা পর্যায়ে নজরুল বর্ষ উদযাপন -২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসন স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হটাৎ উপস্থিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী Link Factory Verification Fizetési módok az online kaszinókban: gyors befizetések és zökkenőmentes kifizetések

পদ্মা ব্যারাজে বদলে যাবে ২৪ জেলার ভাগ্য: স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রী এ্যানি

জহুরুল ইসলাম হালিম, রাজবাড়ী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

 

জহুরুল ইসলাম হালিম, রাজবাড়ী:

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ হলে শুধু রাজবাড়ী নয়, দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল ভোগ করবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী । তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, নৌযোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে. রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি হাবাসপুর এলাকায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে এখন মানুষের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় ভাঙন ও প্লাবন, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট—এই দুই দুর্ভোগে বছরের পর বছর এখানকার মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকট ও নদীভাঙনের শিকার। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলে পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা তুলবই, আদায় করব। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশের পানির অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানান, দেশি-বিদেশি পানি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, এটি শুধু রাজবাড়ীর প্রকল্প নয়; ২৪ জেলার মানুষের কল্যাণে একটি বড় উদ্যোগ। আমি এটিকে বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প হিসেবে দেখি।

তিনি আরও জানান, পদ্মা ব্যারাজে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে, যার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা যাবে। পাশাপাশি দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি উৎপাদন বাড়বে, নৌযোগাযোগ সহজ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, কাজ শুরু হলে সাময়িক কিছু দুর্ভোগ হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এ প্রকল্প মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে দ্রুত দৃশ্যমান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন এমপি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ সভাপতি ও রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. মো. আসলাম মিয়া, জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. লিয়াকত আলী বাবু, সদস্য সচিব এ্যাড. মো. কামরুল আলমসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট