1. info@dailysamajerbani.com : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/
  2. info@www.dailysamajerbani.com : দৈনিক সমাজের বাণী :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রাসিক পরিচ্ছন্নকর্মীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ইদ উপহার ঈদে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তার নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- শামা ওবায়েদ বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী সালথা উপজেলা শাখার উদ্যোগে অটোভ্যান বিতরণ হরিপুরে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এর মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে মধুখালী প্রেসক্লাবে সাংবাদিক পলাশের সংবাদ সম্মেলন ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মিঠুন সরকার গ্রেফতার রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে তরুণ উদ্যোক্তা জাসমার জৈব সার ও কৃষি মাঠ পরিদর্শনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রাজবাড়ীতে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার-১

সালথায় কুমার নদী দখল করে ভবন নির্মাণ, হুমকিতে নদী ও পরিবেশ

সালথা, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় কুমার নদী দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বডদিয়া গ্রামে স্বরূপদিয়া-বড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুমার নদীর জায়গা দখল করে স্থানীয় ধলা ফকিরের ছেলে জিয়া ফকির (৫০) একটি পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। ঘটনাস্থলে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়। নদীর বুক ভরাট করে ইট, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে ভবনের ভিত্তি নির্মাণ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, কুমার নদী একসময় এই অঞ্চলের প্রধান জলাধার ছিল। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি কৃষিজমিতে পলি এনে উর্বরতা বাড়াত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও ভরাটের ফলে নদী ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে নদী প্রায় মৃত খালে পরিণত হচ্ছে। নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

পাকা স্থাপনা নির্মাণকারী জিয়া ফকিরের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, তহশিলদার অফিস থেকে লোকজন এসে কাজ বন্ধ করতে বলেন। সে অনুযায়ী আমি কাজ বন্ধ করি। পরে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উপস্থিত হয়ে জানান, ইউএনও মহোদয়ের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে আপনি কাজ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কেউ কোনো কথা বলেনি। আমি তাকে চিনিও না। মাত্রই বিষয়টি জানতে পারলাম। আমি এখনি এ্যাসিল্যান্ডকে বিষয়টি জানাচ্ছি।

সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার বলেন, নদীর মধ্যে কোনোভাবেই ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কুমার নদী সম্পূর্ণভাবে দখল ও ভরাট হয়ে যাবে। তারা অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট