1. info@dailysamajerbani.com : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/
  2. info@www.dailysamajerbani.com : দৈনিক সমাজের বাণী :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সালথায় সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বল্লভদী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নুরুল ইসলামের, চাইলেন সবার সহযোগিতা সালথায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নবগঠিত যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সালথায় ১৭ মামলার আসামি মিজানুর রহমান গ্রেপ্তার মধুখালীতে পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু হরিপুরে পানিতে ডুবে মামা ভাগিনার মর্মান্তিক মৃত্যু মধুখালীতে বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের স্বাস্থ্যসেবা ও বোনাস চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন রাস্তা কার,দখল নিয়ে সংঘর্ষ:সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, থানায় মামলা প্রকাশে ঘুরছে অপরাধী রাস্তা কার,দখল নিয়ে সংঘর্ষ:সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, থানায় মামলা প্রকাশে ঘুরছে অপরাধী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে সালথায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় সভা

আজ মহান শহীদবুদ্ধি জীবি দিবস

মোঃ সিরাজুল ইসলাম
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্মম হত্যাকাণ্ডগুলো মধ্যে বর্বর হত্যাকান্ড চালায় পশ্চিম পাকিস্তান নৃশংস ভাবে হত্যা করে এদেশের বড় বড় জ্ঞানী গুনি সাংবাদিক শিক্ষক বুদ্ধিজীবিদের।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টুকুতেই পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের হত্যা করাকে বুঝায়।

১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানী বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব না, তখন তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ।

১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণে বাংলাদেশের ঢাকায় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে। এবং বিভিন্ন দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ শহীদের স্বরনে বুদ্ধিজীবী সৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট