1. info@dailysamajerbani.com : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ : https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/ https://www.dailysamajerbani.com/wp-admin/
  2. info@www.dailysamajerbani.com : দৈনিক সমাজের বাণী :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পাঁচদোনায় ছাত্র-যুবসমাজের জোরালো অবস্থান সাংবাদিক তন্ময় দেবনাথের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সালথায় রাস্তার অভাবে চরম সংকটে সোনাডাঙী গ্রামবাসী: দ্রুত রাস্তা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন উপজেলা প্রশাসন হরিপুরে জিংক ধান ব্রি -১০২ শীর্ষক কৃষকের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস,মাদক ও অপরাধ দমনে বোয়ালিয়া থানার চমকপ্রদ সাফল্য রানীশংকৈলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাক চাপায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু নিভৃতে মোর হৃদয়ে এক কোণে – কবিতা হরিপুর সীমান্তে ১১জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবির বাধা মধুখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ইউ.এন.ও এসিল্যান্ডের আলোচনা সভা সালথায় জনবল সংকটে চার পরিদর্শিকায় চলছে উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণের ৯ কেন্দ্র

আজ মহান শহীদবুদ্ধি জীবি দিবস

মোঃ সিরাজুল ইসলাম
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্মম হত্যাকাণ্ডগুলো মধ্যে বর্বর হত্যাকান্ড চালায় পশ্চিম পাকিস্তান নৃশংস ভাবে হত্যা করে এদেশের বড় বড় জ্ঞানী গুনি সাংবাদিক শিক্ষক বুদ্ধিজীবিদের।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টুকুতেই পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের হত্যা করাকে বুঝায়।

১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানী বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব না, তখন তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ।

১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণে বাংলাদেশের ঢাকায় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে। এবং বিভিন্ন দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ শহীদের স্বরনে বুদ্ধিজীবী সৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট